নিহত আয়েশা ও আরাফাতের খুনি একই পরিবারের দুই ভাই(ভিডিওসহ)


প্রকাশের সময় :২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ১০:৫৮ : পূর্বাহ্ণ

পেকুয়া প্রতিনিধিঃ

 

গত (১৯অক্টোবর) ফাশিয়াখালী ফাজিল মাদ্রাসার নুরানী শাখার ১ম বর্ষের ছাত্র শিশু মোঃ আরাফাত (৮) কে অপহরণ করেন মানিক (সন্ত্রাসী মানিক)।

 

 

 

এরপর ১০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় আরাফাতকে খুন করে মানিক।

একমাস হতে না হতেই মগনামা শাহ্ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ব্যবসায়ী জামাল হোসেন (৪৫) আয়েশা খানমকে খুন করেন (২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার)সন্ত্রাসী মানিকের বড়ভাই ফারুক (সন্ত্রাসী ফারুক)।

 

এলাকাবাসী ও পরিবারের দাবী সবাই নিহত আয়েশার খুনি ফারুক (২৩) ও নিহত শিশু আরাফাতের খুনি মানিকের(২০) ক্রসফায়ার অথবা ফাঁসি দিতে হবে।যাতে আর কোথাও এধরনের হত্যাকাণ্ড না হয়।

 

নিহত শিশু আরাফাত এবং নিহত আয়েশার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে তাদের পরিবার,স্হানীয় প্রতিনিধি ও স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

 

স্যোশাল মিডিয়ায় ফারুকের ছবি ভাইরাল হলে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুককে পুলিশের নিকট ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান।

 

বাবা জামাল হোসেন বলেন, ‘একই ইউনিয়নের মিয়াজি পাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ওমর ফারুকের সাথে আমার মেয়ের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। এব্যাপারে আমাদের মৌন সম্মতিও ছিল।

 

 

কিন্তু সম্প্রতি ওমর ফারুকের ভাই মোঃ মানিক এক শিশুকে খুন করে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। সেসময় আমি তাদের পরিবারে মেয়ে বিয়ে দেব না বলে জানিয়ে দেই। মেয়েও বিয়ে করতে নারাজ ছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মেয়েকে মাদ্রাসায় যাবার পথে অপহরণ করে ওমর ফারুক। অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে আমার মেয়েকে খুন করে। পরে তার লাশ গুমের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বস্তায় ভরে সড়কের পাশে ফেলে যায়। আমি আমার মেয়ের খুনি ওমর ফারুক ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।’

 

 

 

পেকুয়া থানার এসআই কাজী আব্দুল মালেক বলেন, ‘খবর পেয়ে মগনামা বিসমিল্লাহ সড়কের পাশ থেকে বস্তাবন্দি লাশটি উদ্ধার করি। শিক্ষার্থী আয়েশার চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। বাম কান কেটে ফেলেছে। বুকেও ধারালো অস্ত্রের জখম রয়েছে। বাড়ির মহিলাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। প্রেমঘটিত কারণে নৃশংসভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’

 

 

পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, ‘খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। তারপরেও ঘটনা সর্ম্পকে জানতে তার দুই চাচীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

 

লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।’
তিনি আরো বলেন, নিহত মেয়ের পিতা জামাল হোসেন বাদি হয়ে থানায় ফারুককে প্রধান আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাকে আটকের সর্বাত্বক চেষ্টা চলছে।

ট্যাগ :

আরো সংবাদ



আর্কাইভ
নভেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« অক্টোবর   ডিসেম্বর »
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০