মনির নবজাতকের ভবিষ্যৎ নিয়ে জানালেন আইনজীবী


প্রকাশের সময় :২৫ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:১৩ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হ’ত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ আ’সামিরই ফাঁ’সির আ’দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

 

একই সঙ্গে আ’সামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জ’রিমানা করা হয়েছে। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেয়ার আ’দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

 

বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নি’র্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামিদের মধ্যে অন্যতম নুসরাতের সহপাঠী কামরুন নাহার মনি।

 

 

হ’ত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি জ’ড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তার সর্বোচ্চ সা’জা হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা থাকায় অবস্থায়ই কি’লিং মিশনে অংশ নেন তিনি।

 

 

কারারু’দ্ধ মনি গত ২১ অক্টোবর জন্ম দেন কন্যাসন্তানের। এখন তার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু বলেন, মাননীয় নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন সে রায়টি কার্যকর হতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে।

 

 

কারণ আ’সামিরা হাইকোর্টে আপিল করবেন, পেপারবুক তৈরি হবে এবং এটা আপিল বিভাগে যাবে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ফুল কোর্টে শুনানি হবে।

 

 

এরপর আ’সামিরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারেন। এ প্রক্রিয়াটি আরও অনেক সময় লাগবে। কয়েক বছর লাগতে পারে।

 

 

এ সময়ের মধ্যে কামরুন নাহার মনির বাচ্চা বড় হয়ে যাবে। বাচ্চা তার পিতার জি’ম্মায় চলে যেতে পারবে। এবং কামরুন নাহার মনির শাস্তি কার্যকর হতে পারবে।

 

 

তবে, এলাকাবাসী বলছেন, উচ্চ আদালতে মনির দ’ণ্ড লাঘব হলেও এ শিশুটি ভবিষ্যতে মাতৃস্নেহ থেকে ব’ঞ্চিত হবে। কারণ এ হ’ত্যা মিশনে কামরুন নাহার মনির যে ন্য’ক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছেন তার সা’জা তাকে ভোগ করতেই হবে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কীভাবে তিনি সহপাঠীকে হ’ত্যার মতো ঘৃ’ণ্যকাণ্ডে তিনি যুক্ত হলেন সেটি নিয়ে হতবিহ্বল তারা।

ট্যাগ :

আরো সংবাদ



আর্কাইভ
অক্টোবর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« সেপ্টেম্বর   নভেম্বর »
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১