চাঁদপুরে মজুদ ৩৭ হাজার পশু


প্রকাশের সময় :৩০ জুলাই, ২০১৯ ৯:৪২ : পূর্বাহ্ণ

চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে চাঁদপুরে ৩৭ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। বছরজুড়ে নিজেদের খামারে এসব পশু লালন-পালন করেছেন জেলার দুই হাজার ৩৫৮ খামারি।

 

 

তবে এবারের ঈদে বিদেশি গরুর আমাদানির কারণে লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাঁদপুরের খামারিরা। তাদের মতে, ভারত-অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা পশু হাটে উঠলে দেশি গরুর চাহিদা কমে যায়। এতে খামারিদের লোকসান গুনতে হয়।

 

 

হাজীগঞ্জের হাটিলা গ্রামের মির্জা ডেইরি ফার্মের মালিক জলিলুর রহমান মির্জা দুলাল বলেন, কোরবানির হাটে বেশি লাভের আশায় বৈধ খাবারের মাধ্যমেই গরু মোটাতাজা করি। কিন্তু প্রতিবছর হাটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু আসে। এতে আমরা ক্ষতির মুখে পড়ি।

 

 

কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা এসব পশু মোটাতাজা করতে খামারিরা যেন ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে কড়া নজরদারি করছে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়।

 

 

হাজীগঞ্জের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জুলফিকার আলী জানান, এ উপজেলায় পাঁচ শতাধিক খামারি কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য ছয় হাজার পশু প্রস্তুত করছেন। কোথাও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

 

 

চাঁদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, দেশি পশুর খামার বাঁচাতে হলে বিদেশি গরু আমদানি বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে দেশের খামারিরা উৎসাহ পাবে। গবাদি পশুর খামারগুলোও সমৃদ্ধ হবে।

 

 

 

ডা. বখতিয়ার উদ্দিন আরো বলেন, ঈদ এলে খামারিরা বেশি লাভের আশায় গরু মোটাতাজাকরণে পাম বড়ি, স্টেরয়েড, প্রি-ডেক্সানল, ডেক্সামেথাসন, বেটামেথাসন, পেরিঅ্যাকটিন, প্যারাডেক্সা, রোডেক্সান ট্যাবলেট ব্যবহার করে। এ কারণে ক্রেতারাও দেশি গরুর চেয়ে ভারতীয় গরুর প্রতিই বেশি আগ্রহ দেখান। এ বছর চাঁদপুরে সব খামারেই ঘাস, খৈল-ভূসি, খড় ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

ট্যাগ :

আরো সংবাদ



আর্কাইভ
জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    আগষ্ট »
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১